-
আপনি কি নিয়মিত সালাত আদায় করেন?
৫ ওয়াক্ত আদায় করার চেষ্টা করি।
-
বোরখা-নিকাব পরিধান করা হয় কি?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
হাত-পা মোজা পরিধান করা হয় কি?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
মাহরাম-নন মাহরাম মানা হয় কি?
মেনে চলার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ।
-
শুদ্ধ ভাবে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারেন?
মোটামুটি পড়তে পারি আলহামদুলিল্লাহ।
-
ঘরের বাহিরে সাধারণত আপনি কি ধরণেন পোষাক পরেন?
আলহামদুলিল্লাহ,সর্বোচ্চ চেষ্টা করি পর্দার হুকুম মানার। ঘরের বাইরে কালো বোরকা, নিক আপ এবং কালো হাত-পা মুজা পরি।
-
আপনার পছন্দের কয়েকজন আলেম/ইসলামিক স্কলার এর নাম লিখুন?
শায়খ আহমাদুল্লাহ, খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ), নজরুল ইসলাম কাশেমি, তারেক জামিল। কওমি আক্বিদা অনুসরন করি।
-
আপনার পছন্দের কয়েকটি বই এর নাম লিখুন?
আর রাহিকুল মাখতুম, ম্যাসেজ, ফিকহুস সিরাহ, পোষাক-পর্দা ও দেহসজ্জা, কুররাতু আইয়ুন, যৌবনের মৌবনে।
-
কোন আক্বিদাহ/মাযহাব অনুসরণ করেন?
হানফী মাজহাব
-
দেনমোহরের ব্যাপারে আপনার মতামত কি?
আলোচনা সাপেক্ষে
-
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন
আসসালামু আলাইকুম, আমি একজন মুসলিমা। জাকজমক এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।সাধাসিধা পছন্দ করি। সর্বোচ্চ চেষ্টা করি দ্বীনের বিধানগুলো মেনে চলার। বিয়েও ইসলামের বিধানের মধ্যে অন্যতম। ইসলামে বিয়ে সহজ,যিনা কঠিন। কিন্তু বর্তমানে সামাজিক প্রেক্ষাপটে, যিনাকে সহজ এবং বিয়েকে কঠিন হয়ে গেছে। আব্বু তাবলীগের পুরানো সাথী। তাই উনি যতটুকু পেরেছেন, যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন, আমাদের দ্বীনে তা’লীমে রাখার। আল্লাহ সহজ করেছেন। আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। পারিবারিক বাধা তো অনেক দূরে,সব সময় আব্বুর তদারকির উপরই ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ। সবার এমন হয় না। আল্লাহ চেয়েছেন বলেই। বস্তুত, আমি একজন গুনাহগার বান্দা। তাই গুনাহ থেকে বাচার নিতান্ত চেষ্টা। “তবে যে তাওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, ফলে আল্লাহ্ তাদের গুণাহসমূহ নেক দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সুরা ফুরকান -৭০) পক্ষান্তরে, যে জানে, আর যে জানে না, তারা কখনো সমান নয়। আগে ইবাদতে গাফিলতি আসতো। এখন চেষ্টা করি জেনে আমল করার। কেউ দ্বীনকে বাদ দিয়ে বাকি সব কিছু থাকলেও, প্রকৃত সফলকাম হতে পারবে না। তাই, দ্বীনকে প্রাধান্য দেয়া, দ্বীন পরিপূর্ণভাবে মানার চেষ্টা করে, এমন কাউকে চাইছি। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ সহজ করুন। অপছন্দের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় – কাউকে ভালোভাবে না জেনেই মন্তব্য করা। খুবই বিরক্ত লাগে। এটা তো গিবত হয়ে যায়। উচিত হলো, কারো গীবত হয়ে গেলে, সাথে সাথে তার প্রশংসা করা। পছন্দ- ইদানীং ইসলামিক বই পড়ার অভ্যাস হলো, ভ্রমণ পিপাসু, গাছ লাগানো।
**বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতাঃ আসলে এই ক্ষেত্রে, দুনিয়াবি যোগ্যতাকে মাইনর রাখতে চাইছি।দ্বীনি যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে চাইছি। * নুরানি ও মুয়াল্লিমা ট্রেনিং প্রাপ্ত – এসএসসি পরীক্ষার পর এই কাজে সময় দিয়েছিলাম। আল্লাহ চেয়েছেন বলেই। মাদরাসার নাম: উম্মুল ক্বোরা মহিলা একাডেমি। * নিতান্ত ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করছি,আমার জন্য খুবই স্পর্শকাতর একটি জায়গা যে, আমার খুব ইচ্ছা ক্বোরআন হিফয করার। যতটুকু পারি, আল্লাহ যতটুকু চান। লকডাউনের সুবাদে বেশ খোজ করেছি। অফলাইন কোনো মাধ্যম তখন পায়নি। অনলাইন পেয়েছি, কিছুটা এগিয়ে গেছে। তবে, আমার জন্য অফলাইন মাধ্যম বেশ ফ্রুটফুল হবে, এমনটা আমার মনে হয়।
*বিশেষ কিছু জানাতে চাইঃ আসসালামু আলাইকুম, বিশেষ কিছু জানানোর মধ্যে একটা এই, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার প্রেক্ষাপটে প্রতিটি স্তরের লোকজন( যারা দুনিয়ার লাভের কথাও ভাবেন) তাকে একটা পজিশনে দেখতে চায়। দ্বীনি সোহবতে থাকা কালীন, এই পজিশন অর্জনের দৌড় থেকে দূরে থাকলেও, আলটিম্যাটলি এই সঙ্গ না থাকা কালীন বা অন্যান্য সাথিদের, এবং শিক্ষকের লেকচারের পর এমন মেন্টালিটি ক্রিয়েট হয় যে, না, আমি দ্বীনের মাঝে থেকে এর কোনো রূপ চেষ্টা করতে পারি কিনা। এই সময় পর্যন্ত অনলাইন বেইসড ( কন্টেন্ট রাইটং, বা ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন সেক্টর) ছাড়া আর কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাইনি। আল্লাহ ভালো জানেন, পরবর্তিতে কি হবে। তবে এটা নিয়ে আমি রীতিমতো ট্রমায় পড়ি। বস্তুত, দোয়াতে এটা চাওয়া যে, আল্লাহ যেন আমাকে দুনিয়াবি মায়া থেকে দূরে রাখেন। * আরেকটা কথা – খাবার ভিত্তিতে এলার্জি সমস্যা আছে, এমনটা আমি টের পাই। * আমি গ্রামের পরিবেশে বড় হয়েছি, তাই গ্রাম-গ্রামীণ জীবনের প্রতি একটা মায়া কাজ করে। শহরে আসলে, বার বার খুব তাড়া করি ফিরে যাবার, একটা স্মৃতিকাতরতা।
-
আপনার মাঝে ইসলামিক কোন কোন বৈশিষ্ট আছে বলে মনে করেন?
প্রাক্টিসিং মুসলিমাহ,দ্বীন চর্চায় সচেষ্ট,আনুগত্যশীলা