-
আপনি কি নিয়মিত সালাত আদায় করেন?
হ্যাঁ, ৫ ওয়াক্ত আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ।
-
সুন্নাতি দাড়িঁ রেখেছেন কি?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
টাখনুর উপরে কাপড় পরিধান করা হয় কি?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
মাহরাম-নন মাহরাম মানা হয় কি?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
শুদ্ধ ভাবে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারেন?
না।
-
ঘরের বাহিরে সাধারণত আপনি কি ধরণের পোষাক পরেন?
ঘরের বাইরে সাধারণত শার্ট বা টি-শার্টের সাথে প্যান্ট পরা হয়। মাঝে মাঝে পায়জামা-পাঞ্জাবিও পরা হয়।
-
আপনার পছন্দের কয়েকজন আলেম/ইসলামিক স্কলার এর নাম লিখুন?
১। মুফতি আলী হাসান উসামা। ২। মুফতি হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী। ৩। মুফতি আরিফ বিন হাবিব। ৪। মুফতি জসিম উদ্দিন রহমানি। ৫। মুফতি মুহাম্মাদ আবদুস সালাম চাটগামী (রহঃ)। উনাদের সহ সকল হকপন্থী আলেমকে এক আল্লাহর জন্য ভালবাসি।
-
আপনার পছন্দের কয়েকটি বই এর নাম লিখুন?
১। কুরআন হাদীসের আলোকে পারিবারিক জীবন - মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহঃ)। ২। আফগানিস্তানে আমার দেখা আল্লাহর নিদর্শন - শাইখ ড. আব্দুল্লাহ আযযাম রহ.। ৩। দু'জন দু'জনার - মুহাম্মাদ আতীকুল্লাহ।
-
কোন আক্বিদাহ/মাযহাব অনুসরণ করেন?
হানফী মাজহাব
-
আপনি কি আপনার স্ত্রীকে পর্দার পরিবেশ দিতে সক্ষম?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ
-
দেনমোহরের ব্যাপারে আপনার মতামত কি?
আমার সামর্থ অনুযায়ী
-
ধূমপান,মাদকদ্রব্য ও হারাম খাবারের সাথে জড়িত আছেন কি?
না, আলহামদুলিল্লাহ
-
কোন রাজনৈতিক দল বা ইসলামী সংগঠনের সাথে জড়িত কি?
না
-
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন
আমি একজন হেদায়েতপ্রাপ্ত প্র্যাক্টিসিং মুসলিম। আমি সকল ফরয বিধান মেনে চলি, সকল হারাম কাজ এড়িয়ে চলি, দ্বীনের ইলম অর্জন করার চেষ্টায় লেগে থাকি। আমি ‘আল ওয়ালা ওয়াল বারা’ নীতি অবলম্বন করি। আমি একজন দ্বীনের দাঈ। আমার কোনো ধরনের নেশার অভ্যাস নাই, আলহামদুলিল্লাহ। মারহাম-গায়েরে মারহাম মেনে চলার এবং দৃষ্টির হেফাযত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আমি আকিদায় 'মাতুরিদী' ও ফিকহে 'হানাফী' মাযহাবের অনুসারী, চিন্তা-চেতনায় 'দেওবন্দী'। আমি খাবারের ব্যাপারে বেশ শৌখিন তবে পরিমানে খুব অল্প খাই, তাই হয়তো শারিরিক গড়ন একদম চিকন(একেবারেই শুকনা)। আচার-ব্যবহারের দিক দিয়ে আমি যথেষ্ট নম্র-ভদ্র, শান্ত স্বভাবের মানুষ। বাই নেচার আমি একজন এ্যাম্বিভার্ট। আমি কখনোই রাগ হই না। আমি যথেষ্ট সৎ সাহসী মানুষ। সবার সাথে হাসিমুখে মিষ্টি ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করি। আমি এক কথায় উত্তম আখলাকের অধিকারী, আলহামদুলিল্লাহ। আমার সেন্স অফ হিউমার বেশ ভাল, আলহামদুলিল্লাহ।
অনেকেই পাত্র হিসেবে একজন মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের মাওলানা/আলেম/মুফতি চান যেন তার থেকে দ্বীনি ইলম অর্জন করা যায়। কিন্তু সত্যি বলতে আজকাল মাওলানা/আলেম/মুফতি টাইটেল পাওয়া গেলেও ইখলাস ওয়ালা সত্যিকার মাওলানা/আলেম/মুফতি খুব কম পাওয়া যায়। যারা সত্যিকার ইখলাস ওয়ালা তারা তো আমাদের মাথার তাজ, তাদেরকে আমি মনের গভীরতম অংশ থেকে ভালবাসি। অপরদিকে একদল আলেমের কথা বলা আছে যে তাদেরকেই জাহান্নামের প্রথম জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। তাদের দ্বীনের বিষয়ে ইলম আছে ঠিকই কিন্তু তারা ইখলাসের সাথে নিজ ব্যক্তি জীবনে সেসব পূর্ণরূপে পালন করেন না ও ইলমের খেয়ানত করেন। উদাহরণ স্বরূপ বলতে পারি যে অনেক মাওলানা/আলেম/মুফতি সাহেব তাদের অধিনস্ত নারীদের ফরয পর্দার ব্যাপারে উদাসীন। আবার কেউ কেউ তাদের অধিনস্তদের সাথে কুকুরের চাইতেও খারাপ আরচণ করেন। হ্যা, আমি তাদের সমান ইলম ওয়ালা নাও হতে পারি তবে আল্লাহর রহমতে এতটুক ইলম অর্জন করতে পেরেছি যা দিয়ে আমি নিজেই নিজ স্ত্রীকে কমপক্ষে বেসিক আকীদা, বেসিক ফিকহ সহ ফার্যে আইন পরিমান দ্বীনি ইলম শিক্ষা দিতে সক্ষম, আলহামদুলিল্লাহ।
এক আল্লাহর কসম করে বলতে পারি যে জন্মের পর থেকে নিয়ে আজ অবধি কোনো মেয়ের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়নি। আজ পর্যন্ত একটা মেয়ের হাত পর্যন্ত স্পর্শ করি নাই, হাতে হাত ধরে হাটি নাই, রেস্টুরেন্টে খেতে যাই নাই, আরো যত ধরণের পাপাচার আছে তা তো অনেক দূরের কথা। আমার সব প্রেম-ভালবাসা শুধুমাত্র আমার প্রিয়তমা আহলিয়ার জন্য জমা রেখেছি। এ কথা যদি মিথ্যা হয় আর এর জন্য যদি হাশরের ময়দানে আমার জাহান্নামের ফয়সালা হয় তবে তা আমি কবুল করে নিবো। আমি যখন বেদ্বীন ছিলাম তখনও কেন যানি অবৈধ প্রেম-ভালবাসার প্রতি মন থেকে সায় পেতাম না। এখন উপলব্ধি করি যে আমি না জানলেও আমার সৃষ্টিকর্তা তো ঠিকই জানতেন যে আমাকে তিঁনি(আল্লাহ) এক সময় হেদায়েত দান করবেন আর হেদায়েত পাওয়ার পর আমাকে যেন যিনা-ব্যাভিচারের গুনাহের জন্য অনেক বেশি অনুতপ্ত না হতে হয় তাই তিঁনিই(আল্লাহ) আমাকে নানান উসিলায় এই জঘন্যতম গুনাহ থেকে দূরে রেখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর যখন জানতে পেরেছি এসব গুনাহ কতটা জঘন্য তখন খুশি মনে আল্লাহর কাছে আরো বেশি করে শুকরিয়া আদায় করেছি এসব থেকে আমাকে হেফাযতে রাখার জন্য। সুতরাং এমন মেয়ে যার কোন অতীত আছে তাকে আমার পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব নয়, এতে সে যতোই তওবা করুক। তাই কারো জীবনে যদি কোন ধরনের প্রেমের সম্পর্কে থেকে থাকে তবে যোগাযোগ করবেন না। মনে রাখবেন অতীত গোপন করলেও হাশরে কিন্তু সব কিছু প্রকাশ পাবে আর সেদিন আমার হক নষ্টের অপরাধ কিন্তু আমি ক্ষমা করবো না।
অনেকেই ভাবতে পারেন একজন ব্যাভিচারী নারী/পুরুষ যদি খালিস মনে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তাহলে আল্লাহ তা'আলা তাকে ক্ষমা করে দিবেন, ইন শা আল্লাহ। জ্বী কথা ঠিক আছে মানলাম তবে এখানে আরেকটা ব্যাপার থেকে যায়। হাকুল্লাহ তথা আল্লাহর হক নষ্ট করলে কেউ যদি আল্লাহর কাছে তওবা করে ফিরে আসে তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিতে পারে। কিন্তু কেউ যদি হাক্কুল ইবাদ তথা বান্দার হক নষ্ট করে আর সেই বান্দা যদি তাকে ক্ষমা না করে তাহলে আল্লাহও তাকে ক্ষমা করবে না। একজন পাক-পবিত্র চরিত্রের অধিকারী, অতীতহীন নারী-পুরুষ তার জন্য নিজের মতোই একজন পাক-পবিত্র চরিত্রের অধিকারী, অতীতহীন জীবনসঙ্গী আশা করতেই পারে, এটা তার হক! কেউ যদি দুনিয়া এবং আখিরাতে তার হকের ব্যাপারে ছাড় না দেয় তবে সে অবশ্যই কোন অন্যায় করছে না। কেউ যদি নিজ থেকে জেনেশুনে মাফ করে দেয়, ছাড় দেয় এটা নিছক তার করুনা হিসেবে গন্য হবে। ব্যক্তিগত ভাবে আমি এতটাও উদারমনা মানুষ নই যে আমার এর বড় হক নষ্ট করার পরও ক্ষমা করে দেয়ার মন-মানসিকতা রাখবো।
জীবনে অনেক যায়গায় ঘুরতে যাওয়ার শখ থাকলেও খুব বেশি কোথাও ঘুরতে যাই নাই সুযোগ থাকার পরও কারন নিয়ত ছিলো একবারে বিয়ের পর আমার প্রিয়তমা আহলিয়া কে সাথে নিয়ে দেশের বিভিন্ন যায়গায় ঘুরবো যেসব যায়গায় ঘুরতে গেলে আমার আহলিয়ার পর্দার বিধান লঙ্ঘন হবে না আর আমার গাইরতেও আঘাত লাগবে না, ইন শা আল্লাহ। নিয়ত আছে আল্লাহ তৌফিক দান করলে আহলিয়াকে সাথে নিয়ে হজ্জ্ব করতে যাবো।
আমি গল্প পড়তে প্রচুর ভালবাসি, ইদানিং প্রচুর ইসলামিক গল্প ও উপন্যাস পড়ি যদিও তেমন একটা বই কেনা হয় না, খুজে খুজে পিডিএফ বের করে পড়ি তবে ইচ্ছা আছে যদি আমার আহলিয়ার বই পড়ার শখ থাকে তাহলে তাকে অনেক বই হাদিয়া দিবো।
হেদায়েত পাওয়ার পর থেকে মনে একটা ইচ্ছা আছে যে একদিন একজন বড় দাঈ হবো ও দুনিয়ায় নিজের কিছু নেককার সন্তান রেখে যাবো যেনো আমি মারা গেলেও তাদের নেক আমলের উসিলায় আমার আমলনামায় নেকি জমা হতে থাকে। আমার সন্তানদের কে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন আছে। আমি চাই, আমি এবং আমার স্ত্রী মিলে আমাদের সন্তানদের কে মুজাহিদ/মুজাহিদা হিসেবে গড়ে তুলবো, ইন শা আল্লাহ। সে জন্য তাদেরকে একদম বাচ্চাকাল থেকেই ফিতনামুক্ত পরিবেশে হোম-স্কুলিং এর মাধ্যমে সুশিক্ষায় শিক্ষিত বানানোর ইচ্ছা আছে। শুধু কিছু ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে পরিক্ষা দেয়াবো।
দ্বীনের বুঝ আসার পর থেকে সাহাবিদের নিয়ে জানার চেষ্টা করি। সাহাবিদের মধ্যে হযরত আলী (রাঃ) আমার সবচেয়ে প্রিয় সাহাবি। তার বিশেষ দিক হলো যুহ্দ ফিদদুনিয়া অর্থাৎ দুনিয়াবিমুখতা। সেই থেকে নিজেকেও একই ভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। আমি কেবল একজন সাধারণ মুসলমানের মতো শুধু নামাজি ব্যক্তির মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। নিজেকে সর্বদা একজন সাহাবির মতোই গড়ে তোলার চেষ্টায় থাকি এবং যুহ্দ অবলম্বন করি, আলহামদুলিল্লাহ।
-
আপনার মাঝে ইসলামিক কোন কোন বৈশিষ্ট আছে বলে মনে করেন?
প্রাক্টিসিং মুসলিম,দ্বীন চর্চায় সচেষ্ট,চক্ষু নত করে চলা,সৎ চরিত্রবান,গীবত না করা,নিয়মিত সালাত আদায়কারী,ইসলামিক বই পড়া,বিনয়ী,নিরহংকারী,সত্যবাদী,ধৈর্য্যশীল,নম্র ভদ্র,ন্যায় পরায়ন,ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত,নন-মাহরাম মেইন্টেইন,শিক্ষানুরাগী,হালাল উপার্যনকারী,হালাল হারাম বজায় চলা,হারামে অনিহা,সৎ কাজে আদেশ,অসৎ কাজে নিষেধ,সকলের হক্ব আদায় করা,আমানত রক্ষা করা,অপচয় না করা,ইসলামিক ব্যাক্তিত্ববোধ,অন্যান্য