ব্যাক্তিগত তথ্য
-
লিঙ্গ
পুরুষ
-
বৈবাহিক অবস্থা
ডিভোর্সড
-
২য় বিয়ের কারণ লিখুন ও সন্তান থাকলে উলেখ্য করুন
বিয়ে - ৩০/০১/২০২২ ডিভোর্স - ১৬/০৮/২০২৩ (কোনো সন্তান নেই) ডিভোর্সের কারন - যদিও কারন গুলো বলতে চাচ্ছিলাম না কখনোই কিন্তু বাধ্য হয়ে করতে হচ্ছে। আসলে আমি আমার স্ত্রী কে প্রচন্ডরকম ভালোবাসতাম, তার দোষ গুলো বলতে কস্ট হচ্ছে কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে বলতে হচ্ছে। আমাদের বিয়ে টা একে অপরকে পছন্দ করে, পারিবারিক ভাবেই হয়। আমাদের পরিচয় হয় আমার কর্মস্থলে। মাত্র ১৮দিনের পরিচয়েই বিয়ে হয়। তাকে বিয়ে করার কারন টা ছিলো যতটুকু দেখেছিলাম খুবই ভদ্র, কথা বললে শুনে, আমার কোনো কথায় না বলতে পারে না যেহেতু আমি অফিসের সিনিয়র ছিলাম সবার মধ্যে। তার মুখ থেকেই শুনেছিলাম নামাজ পড়ে, রোজা ও রাখে, কুরআন ও শিখার চেষ্টা করে। আর এমনিতে মোটামুটি পর্দা ও করে। তাই আর তেমন কোনো খুজ খবর তার পরিবারের নেয়নি। নেওয়ার প্রয়োজন মনেও করিনি, এলাকায় ও খোজ নেয়নি। তাকে পছন্দ হয়ে তার কথা আচরণে এক প্রকার মুগ্ধ হয়েই আমি তার প্রতি দূর্বল হয়ে গেছিলাম। তাই তাকে এক প্রকার অন্ধভাবেই বিশ্বাস করে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম দ্রুত যেন কোনো গুনাহের সাথে জড়িয়ে না যাই। অবশেষে মাত্র ১৮ দিনের পরিচয়েই বিয়ে হলো। আমি মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান কিন্তু আমি যেই ব্যবসা টি করছি সেটার ফিউচার আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো। তখন প্রতি মাসেই আলহামদুলিল্লাহ ১৫-২০ হাজার টাকা ইনকাম ছিলো সেই কনফিডেন্স থেকেই বিয়ের সিদ্ধান্তঃ নেই। বিয়ের পর থেকে হঠাৎ আমার অন্য কলিগ রা আমার সাথে শত্রুতা শুরু করে। আমার ব্যবসা নস্ট করার জন্য নানাভাবে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করে। আমাকে ৩বার পর পর ব্ল্যাক ম্যাজিক ও করে আমার ব্যবসায়ীক ক্ষতির পাশাপাশি শারীরিক ভাবেও ক্ষতি হয় স্বাস্থ্যের অবনতি হয়, ওজন ও হ্রাস পায়। বিষয় টা বুঝতে পেরে রুকাইয়া ও করিয়েছিলাম আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে ভালোই চলছিলো বিজনেস। কিন্তু আমার স্ত্রীর মাঝে পরিবর্তন লক্ষ করি বিয়ের পর থেকেই। নামাজ ও সহীহ্ পর্দার ব্যাপারে খুবই উদাসীন। তবুউ এক প্রকার জোর করেই পর্দা করাতাম। কিন্তু তার বাবার বাড়িতে গেলে বিন্দু মাত্র ও পর্দা করা তো দূর মাথায় কাপড় টাও রাখতো না। আমার স্ত্রী খাবার খুব বেছে খেতো। সব খাবার খেতে পারতো না। আমার পরিবারের সাথে তার মিল হচ্ছিলো না। যদিও আমার বাবা-মা, ছোট বোন খুবই আদর করত তাকে কিন্তু তবুউ তার একা একা খাওয়ার একটা স্বভাব আগে থেকেই ছিলো। বাড়িতে ৯মাস থাকার পর তাকে নিয়ে ভাড়া থাকার সিদ্ধান্তঃ নিলাম। শহরের ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করলাম। এভাবেই চলতেছিলো দিন হঠাৎ ২০২২ সালে শেষের দিকে বাংলাদেশ এ এলসি সমস্যা / ডলার সংকট দেখা দেয় যার ফলে আমাদের কোম্পানি প্রোডাক্ট গুলো দেশে আমদানি করতে পারছিলো না। যেহেতু বিদেশি কোম্পানি তাই এই সমস্যা টা সারা বাংলাদেশ এই দেখা দেয়। মোটামুটি যারা আমদানি করে ব্যবসা করে সবার ই এক প্রকার লসের শিকার হতে হয়। আমার ব্যবসা টাও মোটামুটি ভালোই লস হয় প্রায় ৬মাস লসের মধ্যেই ছিলাম যেখানে মাসে ৪০-৫০ হাজার টাকা ইনকাম হবার কথা ছিলো সেখানে মাসে ৮-১০ হাজার টাকা ইনকাম হয়েছে সব মিলিয়ে খুবই ক্রাইসিস এর মধ্যে পড়ে যাই৷ তখন তার ভরণপোষণ এ কিছু টা সমস্যা হয়। কিন্তু তার বিলাসিতা কমেনি। আমাকে নানা রকম ভাবে প্রেসার দেওয়া শুরু করে তার বিভিন্ন বিলাসিতা পূরন এর জন্য। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি পূর্ণ করার জন্য কিন্তু বাসা ভাড়া, খাওয়া, অফিস ভাড়া সব মিলিয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছিলো তখন থেকেই তার আসল রূপ দেখতে পাই। আমার সাথে খুবই বাজে আচরণ করতো, সব সময় রাগ দেখাতো। তার ভার্সিটির ছেলেদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে কথা বলতো, তার বাবার বাড়িতে ঘর বাড়ি ঠিক করে দেওয়ার জন্য আমাকে অনুরোধ করে একটা চাকরি করতে চায়, আমি তাকে অনেক বিশ্বাস ও করতাম ভালোবাসতাম তাই অনেক অনুরোধের পর রাজি হয়েছিলাম। তারপর তার প্রমোশন এর লোভে অফিসের ছেলেদের সাথেও আলাদা রুমে গিয়ে প্রচুর কথা বলত, আমি নিষেধ করলেও আমার কথা শুনতো না। আমি যদি জোরালো ভাবে নিষেধ করতে যাইতাম আমাকে গালাগালি ও করতো, ঝগড়া বাধিয়ে দিতো। তার মায়ের কাছে বিচার দিতো আমার নামে। এবং খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিত, আলাদা রুমে গিয়ে ঘুমাতো, আমাকে তার শরীর ও স্পর্শ করতে দিতো। শরীর স্পর্শ করলেই আমার গায়ে পর্যন্ত হাত তুলতো। যদিও কথা গুলো খুবই লজ্জার, এবং একজন পুরুষের জন্য খুবই অপমান জনক কিন্তু না বলেও পারছি না৷, নাহলে সবাই আমাকেই খারাপ ভাববে। তার সাথে আমার ঝগড়া হতো,, ১।সে নামাজ পড়তে অনীহা করতো, নামাজের কথা বললে বলতো নামাজ পড়ে কি হবে? তুই তুকারি করে বলত, তোর নামাজ তুই পড়, তোর নামাজ পইরা কি হইছে? আমার শখ ই তো পূর্ণ করতে পারস না। আমারে নিয়ে তোর চিন্তা করা লাগবে না। ২। ঠিকভাবে পর্দা করতে চাইতো না,নানা রকম অজুহাত দিতো। ৩। ঠিক মতো খাবার খাইতে চাইতো না। ৪। পরপুরুষ এর সাথে অবাধে কথা বলতো। আর বলত কথা বললেই কি হয়? ৫। সারাদিন মোবাইলে টিকটক ভিডিও, গান বাজনা, নাটক সিনেমা নিয়ে পড়ে থাকতো। আমি যখন বলতাম এইগুলা হারাম, এগুলো কইরো না। তখন খুবই বিশ্রিভাবে গালাগালি করতো, অপমান করতো আমাকে।। সহ্য করতে না পেরে তার মা কে সব ঘটনা খুলে বলি, তখন বলি আপনার এই মেয়েকে হয় ঠিক ঠাক করে দেন আর নয় নিয়ে চইলা যান। এই মেয়ের সাথে আমি সংসার করতে পারবো না। এইভাবে কয়েক বার জানানোর পরে তার মেয়ে কে ঠিক করার বদলে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আরও উলটা পালটা বুঝিয়ে আমার থেকে দূরত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করে। তার বাবার বাড়ির থেকে আসার পর আরও খারাপ আচরণ শুরু করলে একদিন রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে আমার নিজের বাড়িতে চলে আসি তাকে ভাড়া বাসায় রেখেই। যেন বড় ধরনের ঝগড়া না হয় সেটা ছিলো ০৫/০৯/২০২৩। তারপর সারারাত তার চিন্তায় ঘুমাতে পারিনি যেহেতু অনেক ভালোবাসি আমার মানুষ টা কে। তারপর সকালে বাসায় যাই দেখি অফিসে চলে গেছে, তারপর আমিও অফিসের কাজ শেষ করে তার অফিসে সামনে যাই একসাথে লাঞ্চ করব বলে কিন্তু সে আমার নাম্বার ব্লক করে দেয়, সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়৷ এবং ছুটির পর তার জন্য বাসায় অপেক্ষা করলে সে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়৷ তারপর ৭তারিখ অফিসে এসে বেতন নিয়ে রিজাইন দিয়ে চলে যায়। এরপর তার মা আমাকে কল দিয়ে খুব গালাগালি করে, যেন তাদের সাথে আর কোনো যোগাযোগ না রাখি। তারপর ৯তারিখ তাকে আনার জন্য তার বাবা বাড়িতে গেলে তার মা বিশ্রীভাবে গালাগালি করতে করতে লাঠি নিয়ে আমাকে মারতে আসে। বাবা-মা তুলে গালি দিলে আমিও রাগের মাথায় জোরে কথা বলে ফেলি আর বলি বাব-মা তুলে গালি দিবেন না। আমার গায়ে হাত ও তুলেছে তারা তবুউ আমি অনেক কস্টে ঐখানে থেকে চলে আসি। তারপর মন খারাপ করে অনেক কান্নাকাটি করি, বাসায় এসে নামাজ পড়ে অনেক কান্নাকাটি করি ভাবছিলাম যে আমার সংসার টা ভেঙে যাচ্ছে, আমার ভালোবাসার মানুষ কে হারিয়ে ফেলার পর্যায়ে চলে যাচ্ছি। এইভাবে এক মাস পর ১৪/১০/২০২৩ আমার মা ও কাকি নিয়ে তার বাসায় তাকে নিয়ে আসতে গেলে আমার মা ও কাকি অপমান করে। এটা শুনে আমি বাসায় এসে রাগের মাথায় আমার স্ত্রী কে মেসেজ দিয়ে অনেক উলটা পালটা বলে ফেলছিলাম। পরে অবশ্য ক্ষমা ও চেয়েছি কিন্তু কোনো লাভ হয় নি৷ তার ২দিন পরেই ১৬/১০/২০২৩ আমাকে ডিভোর্স এর নোটিশ পাঠিয়ে দেয়। যেটা দেখে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার অবস্থা কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তবুউ সাহস করে, জীবনের রিস্ক নিয়ে তার বাসায় যাই একা ১৯/১০/২০২৩ ঐদিন দুপুরে সে বাসায় একাই ছিলো, যেহেতু ডিভোর্স কার্যকর হতে ৩মাস ১০ দিন সময় লাগে তাই তার কাছে পায়ে পর্যন্ত ধরে ক্ষমা চাইছি, অনেক কান্না ও করেছি যেন ফিরে আসে। এবং ডিভোর্স যেন সে তুলে নেয়। কিন্তু সে রাজি হয় নি কোনো ভাবে। এর পরের মাসে ২৮/১১/২৩ তাকে ছাড়া থাকতে না পেরে কান্না করতে মানসিক অবস্থা খুবই খারাপ পর্যায়ে চলে যায়। যার কারনে আমি একা তার বাসায় আবার যাই রাতে গিয়ে একা একা অনেক কান্না করেছি ঘরের বাহিরে সারারাত। আমার কান্নায় বিরক্ত হয়ে যায় তারা, তারপর আমার বাবা-মা কে ফোন করে বলে যেন আমাকে তারা নিয়ে যায়। তারপরের দিন বাবা-মা আসে আমাকে নেওয়ার জন্য। আমি বলেছি আমার স্ত্রী কে ছাড়া কোনো ভাবেই যাবো না। আমাকে সবাই অনেক স্বান্তনা দেয় যে কিছুদিন অপেক্ষা করো রাগ কমলে যাবে। তাদের ভরসায় আমি বাড়িতে ফিরে যাই৷ কিন্তু আমার স্ত্রী আমার সাথে আসেনি। অপেক্ষা করতে করতে ডিভোর্স ও কার্যকর হয়ে গেলো ৪মাস পার হয়ে গেলো। কিন্তু সে আর আসেনি। তারপর ৬মাস যাওয়ার পর তার পরিবারের বোন জামাই, দুলা ভাই কে কল দিলে উনি বলে, আমার স্ত্রী ফিরে আসতে পারে একটা শর্তে । তাদের বাড়ির পাশে জায়গা কিনে বাড়ি করে সেখানেই থাকতে হবে। এবং তার নামে ৫শতক জমি লিখে দিতে হবে। আমার বাবা-মা এর সাথে থাকা যাবে না। অর্থাৎ আমার বাবা-মা এর সাথে আমার সম্পর্ক রাখা যাবে না। তাদের কথা মতো উঠতে বসতে হবে অনেক টা কেমা গোলামের মতো। কিন্তু আমি তা তে রাজি হয়নি আমি মা-বাবা কে ছেড়ে থাকতে পারব না। আমি পরিবারের বড় সন্তান আমাকে নিয়ে আমার বাবা-মা এর অনেক স্বপ্ন আছে৷ তাদের সব কিছুতেই লোভ ছিলো, সে আমাকে বিয়েও করেছিল আমার ব্যবসার সাফল্য দেখে। যখন ব্যবসার পরিস্থিতি ভালো ছিলো না তখনই তার আসল রূপ দেখিয়ে দেয়। তাদের লোভের কাছে আমার সংসার, আমার ভালোবাসা টা ধ্বংস হয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেছিলাম সংসার টা বাঁচাতে কিন্তু সম্ভব হয়নি।। জানি না হয়তো আল্লাহ এতেই আমার জন্য মঙ্গল রেখেছেন। একটা কথা সত্য যে আমি বিয়ের পর আমার স্ত্রী কে এতটা বেশি ভালোবেসেছিলাম, তারপর দুনিয়ায় আর কোনো ২য় নারীর চিন্তা মাথায় আসে নি। কারন আমি আল্লাহ কে ভয় করি। আমার স্ত্রী ছাড়া সকল নারীই আমার জন্য হারাম। কিন্তু লোভী পরিবার এর কাছে আমি হেরে গিয়েছি। তারা তাদের স্বার্থ বুঝে তাদের মেয়ে কে এখন ব্যাংকে বড় পদে চাকরি করা ছেলের কাছে বিয়ে দিয়েছে, অনেক ধন সম্পদ এর মালিক ছেলে পক্ষ। যদিও আমার স্ত্রী দের পরিবার ও মধ্যবিত্ত ছিলো কিন্তু তাদের মধ্যে লোভ ও অহংকার ছিলো প্রচুর যার জন্য আমার কাছ থেকে ছলবলে তাদের মেয়ে কে সরিয়ে নিয়ে টাকা ওয়ালা ছেলের কাছে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। আর মধ্যখানে ফেসে গেলাম আমি, এখন সবাই আমাকেই দোষী মনে করছে যেহেতু আমার স্ত্রী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে সেই জন্য খারাপ চোখে আমাকেই দেখছে মানুষ। কিন্তু ভেতরের কথা গুলো আল্লাহ ছাড়া আর আমি ছাড়া কেউ জানে না৷ সবাই ভাবছে ছেলে ভালো হইলে কি আর বউ চলে যায়? নিশ্চয়ই ছেলের মধ্যে সমস্যা আছে। কিন্তু আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না আসলেই দোষ টা আমার ছিলো নাকি তাদের। এখন আর আফসোস করি না,, যে খারাপ ভাবার ভাবুক, যে রিজেক্ট করার করুক, আন্দাজে মন্তব্য করছে করুক। যে আল্লাহ কে ভালোবাসে, তার রাসূল সাঃ কে ভালোবাসে। স্বামীর সম্মান বুঝে, অধিকার বুঝে, হালাল, হারাম বিবেচনা করে, মাহরাম নন মাহরাম মেনে চলে এমন একজন জীবন সঙ্গীনি আসুক। আর যদি আল্লাহ এমন কাউকে না রাখেন,, তবে বেদ্বীন কোনো জীবন সঙ্গীনি জীবনে ২য় বার আসার আগেই যেন আল্লাহ তার দ্বীনের রাস্তায় আমাকে শহীদ হিসেবে কবুল করে নেন। একজন বেদ্বীন নারী ও তার বেদ্বীন পরিবার কত বড় আজাব সেটা আমার মতো যারা বিপদে পড়েছেন কেবল তারাই জানেন। সর্বশেষ একটি কথা যদি ধার্মিকতা, সৎ চরিত্রবান, নজর হেফাজতকারী, বাজে আড্ডা ও নেশা মুক্ত ছেলে খোঁজ করেন যে কি না আপনার মেয়ের/বোনের স্বামী হিসেবে শুধু তার প্রতি ই আসক্ত থাকবে তার বাহিরে ২য় কোনো নারীর চিন্তা বেঁচে থাকতে আসবে না। তাহলে আমাকে প্রস্তাব দিতে পারেন ইনশাআল্লাহ ঠকবেন না। যদি অধিক টাকা ওয়ালা, ধন সম্পদ ওয়ালা খোজেন তাহলে আমি আপনাদের যোগ্য নই৷ আমি মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান, স্বপ্ন আছে বড় কিছু করার যদি আল্লাহ রিযিকে রাখেন, আমি আল্লাহ ভিরু মানুষ, আল্লাহর বিধান ও রাসূলের সুন্নাহ কে আকড়ে ধরে জীবন পরিচালনা করার চেষ্টায় আছি ইনশাআল্লাহ।
-
জন্ম তারিখ
২৪ / ৮ / ২০০০
-
উচ্চতা
৫ ফুট ৬ ইঞ্চি
-
ওজন
৫২ কেজি
-
শারিরীক গঠন
চিকন
-
রক্তের গ্রুপ
O+
-
গায়ের রং
শ্যামলা
-
শারীরিক বড় কোন সমস্যা আছে কি?
না
-
পেশা
বেসরকারী চাকুরী
-
আপনার পেশা সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে কিছু লিখুন
একটি বৈদেশিক ঔষধ কোম্পানি তে মার্কেটিং সেক্টরে কর্মরত আছি টিম লিডার হিসেবে।
-
মাসিক আয়ের পরিমাণ
১৫ হাজার এর মধ্যে
-
প্রিয় শখ
ইসলামিক আলোচনা শোনা,ভ্রমণ,কোরআন তিলাওয়াত শোনা,স্বেচ্ছাসেবক,খেলাধুলা,শিক্ষা দান করা,কোরআন তিলাওয়াত