-
আপনি কি নিয়মিত সালাত আদায় করেন?
হ্যাঁ, ৫ ওয়াক্ত আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ।
-
সুন্নাতি দাড়িঁ রেখেছেন কি?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
টাখনুর উপরে কাপড় পরিধান করা হয় কি?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
মাহরাম-নন মাহরাম মানা হয় কি?
মেনে চলার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ।
-
শুদ্ধ ভাবে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারেন?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
ঘরের বাহিরে সাধারণত আপনি কি ধরণের পোষাক পরেন?
শার্ট-প্যান্ট।যদিও মাসজিদে যাওয়ার সময় পাঞ্জাবী পরিধান করি সবসময়।ইনশাআল্লাহ পুরুপুরি পাঞ্জাবী লেবাসে প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছে আছে।
-
আপনার পছন্দের কয়েকজন আলেম/ইসলামিক স্কলার এর নাম লিখুন?
শায়েখ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, শায়েখ আহমাদুল্লাহ, আবু-ত্বহা মুহাম্মদ আদনান, মাহমুদ বিন-ক্বাসিম।
-
আপনার পছন্দের কয়েকটি বই এর নাম লিখুন?
আর রাহিকুল মাখতুম, বেলা-ফুরাবার আগে, কোরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ,মুক্তবাতাসের খোঁজে।[[লা-তাহযান, ফয়জুল-কালাম, আল-আয়কার, ইঞ্জয় ইয়োর লাইফ(এই গুলি আলহামদুলিল্লাহ চলমান)]]
-
কোন আক্বিদাহ/মাযহাব অনুসরণ করেন?
শুধু মুসলিম
-
আপনি কি আপনার স্ত্রীকে পর্দার পরিবেশ দিতে সক্ষম?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ
-
দেনমোহরের ব্যাপারে আপনার মতামত কি?
আমার সামর্থ অনুযায়ী
-
ধূমপান,মাদকদ্রব্য ও হারাম খাবারের সাথে জড়িত আছেন কি?
না, আলহামদুলিল্লাহ
-
কোন রাজনৈতিক দল বা ইসলামী সংগঠনের সাথে জড়িত কি?
না
-
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন
(কষ্ট করে কোন লাইন স্কিপ না করে ধর্য্যেরসহিত পুরোটা পড়ার অনুরোধ রইলো)
এমন পরিবেশে বড় হয়েছি যেখানে ইসলাম মানে শুধু বোঝা হয় নামাজ এবং রোজাকে।ছোটবেলা থেকে দুনিয়াবী ধার্মিক ছিলাম।মানে আল্লাহর আদেশ গুলি কিছু মানতাম।আবার দুনিয়াবী সকল কিছুও মেন্টেন করার চেষ্টায় থাকতাম।কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বড় ধরনের সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতাম।আব্বু মাদ্রাসার স্টুডেন্ট ছিলেন,তাই উনি নামাজের ব্যাপারে খুবই সচেতন ও কঠোর ছিলেন।তাই নামাজটা ঠিকমত পড়া হত।
পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাবর্তনটা আসলে করোনার প্রথম দিকে,আমার রব দুনিয়ার সবচেয়ে দামী জিসিনটা মানে হেদায়েতের নূর আমার অন্তরে দিল।সে সময় থেকে আল্লাহকে পরিপূর্ণভাবে চিনা।আস্তে আস্তে দ্বীনের ইলম অর্জন,এখনো আলহামদুলিল্লাহ চালিয়ে যাচ্ছি।
আমার কোন বন্ধু নাই,আমি যদিও স্কুল-কলেজ,ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র।তবুও আমার কোন বন্ধু নাই,আসলে নেই বলতে আমি সবার থেকে নিজেকে লুকিয়ে ফেলেছি।কারণ একজন শায়েখ বলেছেন যে ব্যক্তি যতবেশী আল্লাহকে চিনবেন,সে নিজেকে ততবেশি সবার থেকে লুকিয়ে রাখে।কারণ সঙ্গ যদি সৎ বা ভাল না হয়,তাহলে দ্বীনের পথে চলা অনেক কঠিন।আর আল্লাহ যার বন্ধু,তার দুনিয়াবী আর কোন বন্ধুর প্রয়োজন পরে না।তবুও নিজের দুঃখ-কষ্ট,ভাল লাগা,পরামর্শ করা,যার সাথে মন খুলে সকল কিছু শেয়ার করা যাবে,এমন একজন কাছের মানুষের খুবই অভাববোধ করতেছি।আল্লাহর কাছেই অনেক করে চেয়েছি একজন দ্বীনদার বন্ধুর সাক্ষাৎ যেন করে দেন,কিন্তু উনিই উত্তম পরিকল্পনাকারী, উনিই গায়েব জানেন।তাই বন্ধু দেওয়া থেকে না দেওয়ায় হয়তো আমার জন্য কল্যাণকর তাই দেয় নাই।আমি আশা করি আমার আহেলিয়ায় আমার বন্ধুর অভাবটাও পূরণ করবেন ইনশাআল্লাহ।
নিরিবিলি,শব্দহীন পরিবেশ খুবই পছন্দ করি।পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন,পরিপাটি থাকতে পছন্দ করি।মানুষের সাথে কম মিশতে পছন্দ করি।আমি অহংকারী না,আবার অপ্রয়োজনীয় কথাও বলি না কারো সাথে।
অহংকারী,মানুষকে হেয় করে,মানুষকে কষ্ট দেয় এমন মানুষ আর দুনিয়াবী ধন-সম্পদ,জজ-খ্যাতি,সৌন্দর্য্য,এইসব দিয়ে যারা মানুষকে পরিমাপ করে এই ধরনের মানুষ থেকে সবসময় দূরে থাকি।কারণ এই ধরনের মানুষ থেকে দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য ভাল কিছু পাওয়া যায় না আর এদের সাথে থাকলে দুনিয়াবী মূহ চলে আসে নিজের মধ্যে।এক কথায় মানুষের কোন কষ্ট সহ্য করতে পারি না।নিজেও কাওকে কষ্ট দি না আলহামদুলিল্লাহ।আর একটু বিবেকবান আবেগী আমি,যাকে বা যাদের আপন মনে করি তাদের দেওয়া সামান্য কষ্ট বা অবহেলা অনেক বেশী ব্যতীত করে আমাকে।তাই মানুষকে আপন মনে করতে অনেক বার ভাবী,আর আপন বলতে আল্লাহই উত্তম।
দ্বীনে সুক্ষভাবে মানার সর্বোচ্ছ চেষ্টা করি।মানে ডান হাতে কাপড় পরিধান করা সুন্নাহ থেকে ফরজ নামাজ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে নবীর (সা:) সুন্নাহ পালনে চেষ্টা করি।প্রতিটি ছোট থেকে বড় কাজে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মানার চেষ্টা করি।আর বান্দার হকের ব্যাপারে যথেস্ট কেয়ারফুল,কারণ আল্লাহ ৭০ বছরের ফরজ ইবাদত না পড়ার গুনাহ চাইলে মাফ করে দিতে পারেন,কিন্তু বান্দার ১টাকার হক উনি নিজের হাতে মাফ করবেন না।
গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে যৌবনটাকে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর রাস্তায় অতিবাহিত করার জন্য বিয়েটাকে বেশী অনুভব করতেছি।কারণ যৌবনের ইবাদত আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়।আর সেই যৌবনে পুরোপুরি ইবাদতের স্বাদ পেতে আর্লি ম্যারেজের কোন বিকল্প নাই আমার মতে।হালালভাবে জীবনযাপন করবো ইনশাআল্লাহ।৭০-৮০ বছরেই সামান্য জীবনটাকে অবৈধভাবে ইনকাম করে এবং আল্লাহকে নারাজ করে ভোগ-বিলাসে মত্ব থেকে অনন্তকালের মধুর জীবনটাকে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ নষ্ট করতে পারে না।পরকালের জীবনের সাথে কম্পিয়ার করলে দুনিয়ার জীবনের কোন অস্তিত্বই খোঁজে পাওয়া যাবে না।আর জান্নাতের সুখের কাছে দুনিয়ার সুখের কোন অস্বিত্ব নাই।জাহান্নামের কষ্টের তুলনায় দুনিয়ার কষ্ট গুলি একদম মামুলি।
পুরোপুরি সুন্নতি পদ্বতিতে এবং ফাতেমী মোহরে বিয়েটা করার ইচ্ছে আছে ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ সহজ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ
-
আপনার মাঝে ইসলামিক কোন কোন বৈশিষ্ট আছে বলে মনে করেন?
দ্বীন চর্চায় সচেষ্ট,প্রাক্টিসিং মুসলিম,নিয়মিত সালাত আদায়কারী,ধৈর্য্যশীল,নম্র ভদ্র,আনুগত্যশীল,হালাল উপার্যনকারী,সকলের হক্ব আদায় করা